Sorry Not Sari

  “Please, you look so nice in a sari,” my mother encourages as she wraps the fabric around me, seemingly having a plan in mind. I used to always watch her wear saris, wondering why she bothered mummifying herself in these impossible-to-manage window curtains. Now it was happening to me and I tried my best to grit my teeth and not roll my eyes as I lifted my hands in the air, almost in surrender as she continues to work on the pleating of the skirt. There are a number of things wrong with this picture. One, I don’t like … Continue reading Sorry Not Sari

Twilight Tea

My sister is not the best tea maker of the world. But, she can definitely make best out of the situation. Situation is back home, in Bangladesh twenty years ago, when we bought tea leaves loose and milk daily. We used to running out of tea ingredients everyday. Less than half cup of milk or just 1 teaspoon of tea leaves was an everyday thing. With some kind of magic she made the tea with same consistency every time in the dented tin kettle-mug on the gas stove-top. Twenty years ago, everyday we had an one hour power outage just … Continue reading Twilight Tea

প্রতিপক্ষ

মাহালু নদীর তীরে ঘোড়া ছুটিয়ে যেতে যেতে কিছুক্ষণ পর মুস্তফা টের পেল পেছনে আর কেউ আসছে। নৌরাবাদের কেউ পিছু নিল নাকি? ঝট করে পিছনে তাকিয়ে একঝলক আগন্তুককে দেখে সন্তুষ্ট হয়ে আবার টেনে ঘোড়া ছোটাল সে। ইদ্রিস। ইদ্রিস আসছে পেছন পেছন। যাক, ভালো হল তবে। সে ছাড়া আরও অন্তত একজন দেখেছে সাদতকে চম্পট দিতে। বালক সর্দার সাদত এইদিক দিয়ে একা গেছে মুস্তফা নিশ্চিত, কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রের হাউকাউয়ের ভিতর বেশি লোক দেখতে পায়নি একা সাদতের পলায়ন। লোকজন ডেকে সময় নষ্ট করার বদলে মুস্তফা ধনুক শক্ত এক হাতে ধরে আর হাতে ঘোড়া ছুটিয়ে ধাওয়া করেছে। সাদতকে ধরা চাইই। সে পালিয়ে গেলে আবার কোন দল … Continue reading প্রতিপক্ষ

একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং …

খেলাটা বেশ জমে উঠেছে এতক্ষণে। প্রীতি ফুটবল ম্যাচের প্রায় আধাঘণ্টা চলে যাওয়ার পর এবার দুই দলেই দারুণ উত্তেজনা উত্তেজনা ভাব বোঝা যায় মাঠের বাইরে থেকেই। হলদে আলো মরে আসতে থাকা এই ফ্যাকাশে শেষ বিকেলে সেই উত্তেজনার ভাগিদার হতে কপালের মাঝে উড়ে আসা গুঁড়ো চুল সরিয়ে জ্যোতি চোখ তুলে তাকায় মাঠের মাঝখানের নানা রঙের ছোট্ট ভিড়টায়। খেলাটা এই ট্রেনিং সেন্টারের প্রশিক্ষক আর প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে, এমন খেলা আজই প্রথম ওদের। উত্তেজনার চোটে কে যে কোন দলের- তা বোধহয় ভুলেই গেছে খেলোয়াররা নিজেরাও। সবুজ নরম ঘাসের মাঠে গড়াতে থাকা সাদা-কালো বলটার ডানে-বাঁয়ে-সামনে-পেছনে এই মুহূর্তে সাদা-কালো-নীল-সবুজ হরেক রঙের কেডস পরা জোড়া পাগুলো কেবল ছুটতে … Continue reading একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এবং …

খোঁজ…

আরে, এই ইলেকট্রিকের খাম্বার পাশেইতো ছিলো মেয়েটা! লাল ফ্রক পরা! মিনিট তিনেক আগেইতো মিনুকে এখানে ট্রাঙ্কের উপর বসিয়ে রেখে ড্রেনের ধারে বহুক্ষন ধরে চেপে রাখা “ছোট-কাজ” সারতে গিয়েছিলেন নজীর আলী। কোথায় গেল বাচ্চাটা? এতবড় ঢাকা শহর। কিছুই চেনেন না। সদরঘাটে লঞ্চ থেকে নেমে সরাসরি বাসে চেপে পি.জি. হাসপাতাল না কি যেন বিজি হাসপাতালের সামনে এসে নেমেছেন আধ ঘন্টা মত হয় সাত বছরের মেয়ে মিনুকে নিয়ে। সমবয়সী চাচাতো ভাই বারেক আলী চিঠিতে বলেছিল সদরঘাট থেকে সরাসরি শাহাবাগের বাস ধরে এই হাসপাতালের সামনে নেমে এক নম্বর গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকতে। ঠিক একটার সময় সে আসবে নিতে। বিশাল শহর এই ঢাকা। ইয়া বড় … Continue reading খোঁজ…

পরিণীতা

সন্ধ্যেটা বিকেলের পায়ের কাছে এসে বসে আছে। খুব সন্তর্পণে ওপরে ওঠার চেষ্টা তার। এই নিয়ন-সাইন-বিলবোর্ডের শহরে গো-ধূলির ‘গো’ আর কই আর তাই অফিস-ফেরতা বাসগুলোকে ঐ শূন্যস্থানে বসিয়ে সময়টাকে বড়জোর বাস-ধূলি বলে চালানো যেতে পারে। ফর ফর শব্দে বাতাসের অলিম্পিক চলছে জানালার ওপাশে। ওখান থেকে এক ঠোঙ্গা বাতাস কে যেন তার মুখে ছুড়ে দিয়েই দে ছুট। ‘তার’ মানে লিয়াকত মান্নানের যিনি একটা প্রাইভেট ব্যাঙ্কের কমিউনিকেশনস সেকশনের প্রধান। ব্যক্তিজীবনে অকৃতদার ও ভেতর-গোঁজা। লোনের টাকায় কেনা ১৫০০ স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাটে একাই থাকেন তিনি। এই মুহূর্তে তিনি বসে আছেন নিজের ঘরের লেখার টেবিলের জানালার পাশে। তার আরও একটা পরিচয় আছে: তিনি এই সময়ের একজন … Continue reading পরিণীতা

খরচ

আতিক খুব মনোযোগ দিয়ে তার মানিব্যাগের দিকে তাকিয়ে আছে। নিজের মানিব্যাগ এতক্ষণ ধরে দেখার কিছু নেই, রেক্সিনের সস্তা মানিব্যাগ, জায়গায় জায়গায় রঙ চটে গেছে, ভেতরেও তেমন কিছু নেই যা এভাবে একদৃষ্টিতে দেখতে হবে। আসলে আতিক কিছুই দেখছিল না, তার ভ্রূ কুঁচকে আছে আর নীচের ঠোঁট কামড়ে ধরা। যখন খুব চিন্তায় থাকে তখন ঠোঁট কামড়ে ধরা আতিকের অভ্যাস। মানিব্যাগে সব মিলিয়ে বত্রিশ টাকা আছে। তিনটা দশ টাকার নোট, একটা দুই টাকা। দশ টাকার একটা নোট আবার ভালমত স্কচটেপ মারা, কোন এক ফাঁকে গছিয়ে দিয়েছে কেউ। এখন চালাতে কষ্ট হবে। আতিকের আপাতত প্রধান চিন্তা কোথা থেকে শ খানেক টাকা ধার পাওয়া যায়। … Continue reading খরচ